স্বদেশ

এমপি লিটন হত্যায় অস্ত্র মামলায় রায় আজ

১১ জুন ২০১৯ ,বিন্দুবাংলা টিভি. কম, ডেস্ক রিপোর্ট :     গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের ক্ষমতাসীন দলের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার দায়ে করা অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ মঙ্গলবার (১১ জুন)। আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক।

এর আগে, মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ৩০ মে রায় ঘোষণার জন্য ১১ জুন সময় নির্ধারণ করেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযারী অস্ত্র আইনের মামলার রায় মঙ্গলবার। সকাল ১০টার দিকে আদালত বসবে। রায়ের সময় অভিযুক্ত আসামি কাদের খান আদালতে উপস্থিত থাকবেন। মামলার রায় সন্তোষজনক হবে বলে আশা করছি।

মামলার তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে লিটন হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (অব) কর্নেল ডা. আব্দুল কাদের খানকে প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি গাইবান্ধা জেলা কারাগারে রয়েছেন।

মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় ৩টি অস্ত্র ব্যবহার হয়। এর মধ্যে একটি অস্ত্র কাদের খান নিজে থানায় জমা দিয়েছেন। দ্বিতীয় অস্ত্রটি আব্দুল কাদের খানের গ্রামের বাড়ি ছাপরহাটি থেকে উদ্ধার করা হয়। কিন্তু তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক তৃতীয় অস্ত্রটির সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় কাদের খানকে ২০১৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে কাদের খানের দেয়া তথ্যে তার বাড়ির উঠানে মাটির নিচ থেকে ৬ রাউণ্ড গুলি ও একটি পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর নিজ বাড়ি সুন্দরগঞ্জের সাহাবাজ (মাস্টারপাড়া) গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন।

এ ঘটনায় ১ জানুয়ারি নিহতের বড় বোন ফাহমিদা কাকুলি বুলবুল বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫ থেকে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। এছাড়া হত্যার কাজে ব্যবহৃত গুলি ভর্তি পিস্তত উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইন মামলায় সুন্দরগঞ্জ থানায় আরেকটি মামলা করে পুলিশ।

হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত কাদের খানসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্তরা আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বর্তমানে আদালতে এ মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close